রবিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৭

কবিতা:- চলছে পথে শয়তানের

চলছে পথে শয়তানের
মোঃ তরিকুল ইসলাম মন্ডল

বহু!নারী-পুরুষ এ জামানায়
চলছে পথে শয়তানের ।
এরা কেউ ভয়ে করে না
কঠিন শাস্তি কিয়ামতের ।
আল্লাহর হুকুম ছেড়ে দিয়ে
গোনায় এরা রয় পড়ে ।
কুকুরের মতো স্বভাব এদের
যাকে পায় তাকে কাটে ।
ছোট্ট ছোট্ট পোষাক পরে
পুরুষ-নারীর ভোলায় মন ।
বিশ্বাসীরা দেখে ওদের
থু-থু ফেলে সবাই তখন ।
এদের কৃতি কালচার দেখে
মন আমার যায় ফেটে ।
যুদ্ধ এখন হতো যদি
তবেই আমার রাগ মেটে ।
আল্লাহ্ তুমি রাখো আমার
এদের হতে দুরে ।
প্রতিষ্ঠিত করো সুবিচার
ধৈর্য দাও মোরে ।।
           সমাপ্ত

বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৭

কবিতা :- শুধু তাঁরই দাসত্ব কর

       শুধু তাঁরই দাসত্ব কর
 মোঃ তরিকুল ইসলাম মন্ডল

তোমরা তোমাদের সেই
আল্লাহর দাসত্ব স্বীকার কর ।
কুরআন হাদিসের প্রতি
ঈমান নিয়ে তবেই মর ।
শেষ বিচারের দিন
আসছে ছুটে
যেমন মেঘ ঘনিয়ে
বজ্রপাত ঘটে ।
তোমরা তাঁর দাসত্ব স্বীকার কর
তাঁর ভয় করে তাঁরই পথে চল
সত্যদ্রোহী লোকদের জন্য নির্দিষ্ট
দহন রয়েছে ভয়াবহ ।
তোমরা তাঁর প্রতিশ্রুতি সুদৃঢ় করে
কেমন করে ভঙ্গ কর ?
তাঁর নির্দেশ ছিন্ন করে
কেন বিপর্যয় সৃষ্টি কর ?

বুধবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৭

কবিতা :- তাঁহার ইশারায়

           তাঁহার ইশারায়  
মোঃ তরিকুল ইসলাম মন্ডল

কে দিয়েছেন মনে শান্তি
কে দিয়েছেন বুলি?
কে দিয়েছেন চরণ দুখানি?
তাইতো মোরা চলি।
কে দিয়েছেন নয়ন মাঝে
সূর্যের মতো আলো?
সুন্দর সুন্দর বস্তুকে
কতো দেখতে লাগে ভালো।
কে দিয়েছেন নাসিকা নামের অঙ্গ
দুটি ছিদ্র করে?
কার ইশারায় সকল প্রাণীই
আপন প্রাণ রক্ষা করে?
কে দিয়েছেন ভূগর্ভে তোমার
কে দিয়েছেন শক্তি?
কার ইশারায় মোরা আজ
সম্মাননীয় এক ব্যক্তি?
কে দিয়েছেন ঠান্ডা-গরম
কে দিয়েছেন ঝড়ের মাঝে বৃষ্টি?
কার ইশারায় 'হও' শব্দে
এই জগৎ সৃষ্টি?
            সমাপ্ত 

সোমবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১৭

প্রবন্ধ:- অবশ্যই রাষ্ট্রপ্রধানের সমালোচনা করার অধিকার রাখি

অবশ্যই রাষ্ট্রপ্রধানের সমালোচনা করার
                      অধিকার রাখি
          @মোঃ তরিকুল ইসলাম মন্ডল@
                    15/06/2016
আমরা রাষ্ট্রপ্রধানের কাজ কর্মের প্রতি তীব্র তীক্ষ্ন দৃষ্টি রাখার অধিকার রাখি।এবং সেই সঙ্গে রাষ্ট্রের বড় বড় দায়িত্বপূর্ণ পদাধিকারী ব্যক্তিদের কার্যকলাপের প্রতি লক্ষ্য রাখা সামগ্রিক ভাবে গোটা জাতির এবং ব্যক্তিগত ভাবে প্রত্যেকটি নাগরিকের একান্ত কর্তব্য।কিন্তু আমার দেশের রাষ্ট্রপ্রধান থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতি রাজ্যপাল ও গ্রাম অঞ্চল ব্লকের নেতারা যে অপরাধ করে যাচ্ছে তা আজকের মুসলমান আলেমরা মাথা পেতে নিচ্ছে সার্থ-সিদ্ধির জন্য ।কিন্তু এই আলেমদের কাজ ছিল তাদের ভুল-ভ্রান্তি গুলি স্পষ্ট ভাবে তাদেরকে বলে দেওয়া ।আজ না বলার কারণেই তারা মারাত্মক ভুল করে যাচ্ছে ।এবং তারা শেষপর্যন্ত গোটা জাতি ও রাষ্ট্রকেই ধ্বংস করে দিচ্ছে ।
এর একটাই কারণ, দেশের মুসলমানরা নিরব বলেই ।যতদিন মুসলমানদের আলেমরা নিরব থাকবে ততদিন পর্যন্ত মুসলমানরা লাঞ্ছিত নিপীড়িত হতেই থাকবে ।এ জন্যে হাদিসে উদ্ধৃত হয়েছে, নবী করীম(সঃ)বলেছেন :
"দ্বীন হলো নছীহত ।আমরা বললাম:কারজন্যে?তিনি বললেন:(রাষ্ট্রীয়)নেতাদের জন্যে এবং মুসলিম জনগণের জন্যে ।"(মুসলিম শরীফ)
এভাবে নছীহতের পরও যদি কোন শুভ ফলোদয় না হয়, তা হলে রাষ্ট্রপ্রধানদের ঠিক ভাবে পরিচালিত করার জন্যে শক্তি প্রয়োগ করতে হবে ।রসূল্লাহ(সঃ)বলছেন: প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করতে হবে ।আর এরা বলছে এটা হিন্দুত্ববাদের দেশ এখানে চলবে না ।এতুই দুর্বল ঈমান এদের,আবার বলে আমরা মুসলমান।মুসলমান হতে হলে কি কি করোওনিও এরা কী জানে না!এরা কি এটাও জানে না নবী করীম (সঃ)-এর কি নির্দেশ ছিল! নবী করীম(সঃ)আমাদের আদেশ করেছেন :
"আল্লাহর নামে শপথ করে বলছি,তোমরা অবশ্যই ন্যায়ের আদেশ করবে ।অন্যায়ের প্রতিরোধ করবে ।যালেমের হাত শক্ত করে রাখবে,সত্য নীতির ওপর স্থির করে রাখবে এবং তাকে সত্য কাজ করতেই বাধ্য করবে ।অন্যথায় মনে রাখবে, আল্লাহ্ তোমাদের মনকে পরস্পরের প্রতি খারাপ করে দেবেন ।আর শেষ পর্যন্ত তোমাদের কে পূর্ববর্তীদের মতো অভিশপ্ত করবেন ।"(আবু দাউদ)
রসূল্লাহ(সঃ)আরও বলেছেন :যে "লোকেরা যখন যালেমকে জুলুম করতে দেখবে, তখন যদি তারা দু'হাত শক্ত করে না ধরে রাখে তাহলে আল্লাহর আযাব সাধারণ ভাবে সবাইকে গ্রাস করতে পারে ।"(রিয়াদ্বুচ্ছালেহীন)
রাষ্ট্রপ্রধান ও রাষ্ট্রের অপরাপর দায়িত্বপূর্ণ পদাধিকারীদের প্রতি এরূপ তীক্ষ্ন দৃষ্টি রাখার অধিকার একটা জাতীয় অধিকার ।সেই অধিকার আমরা কী রাখতে পেরেছি?আবার বলছি আমরা মুসলমান ।সর্বপ্রথম পুরুষ যিনি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন হজরত আবুবকর সিদ্দিক(রাঃ)খলিফা নির্বাচিত হয়ে সর্বপ্রথম যে ভাষণ দিয়েছিলেন, তাতে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন :"আমি ভালো করলে তোমরা সবাই আমার সহযোগিতা করবে ।আর আমি যদি বাঁকা পথে চলতে শুরু করি,তোমরা আমাকে সঠিক পথে চলতে বাধ্য করবে।"(তাবকাতে  কুবরা ইবনে সায়াদ,3য়খণ্ড,183পৃষ্ঠা)"
দ্বিতীয় খলিফা হজরত ওমর ফারুক(রাঃ)তার এক ভাষণে একথা বলেননি? যে "তোমাদের মধ্য   থেকে কেউ আমার মধ্যে কোনওরূপ বক্রতা লক্ষ্য করলে তা দূর করে দেয়া তার কর্তব্য ।তখন উপস্থিত লোকদের একজন বলে উঠলো: "আল্লাহর কসম,আপনার মধ্যে কোনওরূপ বক্রতা দেখতে পেলে আমরা আপনাকে আমাদের তরবারির সাহায্যেই ঠিক করে রাখবো ।"এ কথা শুনে দ্বিতীয় খলিফা উচ্চস্বরে বলে উঠলেন : আল্-হামদুল্লাহ,"আল্লাহ্ হজরত মুহাম্মদ(সঃ)-এর উম্মাতের মধ্যে এমন লোক সৃষ্টি করেছেন, যারা তাদের তরবারির দ্বারা ওমর  কে ঠিক পথে চালাতে পারে ।"তাই বলবো আমি আমার মুসলিম ভাইদের কে, আমরা এখনো আমাদের অধিকার কে যদি বুঝে না নিতে পারি ।তাহলে আগামীতে এমন এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি আসছে যে কথা মুখে বোঝানো যায় না ।যেমন যেখানে যে ঔষধের প্রয়োজন সেখানে সেই ঔষধ ব্যবহার না করলে ইনফেকশন হয়ে যায় ।তদ্রূপ সত্য মিথ্যার পার্থক্য না করলে'শুধু বিপর্যয় নয়'বরং মহা-বিপর্যয় সৃষ্টি হয় ।

প্রবন্ধ:- বর্তমান বিশ্বে মিথ্যা অপবাদের শিকার হচ্ছে মুসলিম জাতি

বর্তমান বিশ্বে মিথ্যা অপবাদের শিকার হচ্ছে
                       মুসলিম জাতি
          @মোঃ তরিকুল ইসলাম মন্ডল@
                    মধ্য-বেনা,বাদুড়িয়া
আজ সারা বিশ্বে মুসলিমদের ওপরে বিভিন্ন দিক দিয়ে বর্তমান বিশ্বের মানব দরদী সংস্থা গুলি নির্মমভাবে অত্যাচার চালাচ্ছে। কখনো বোমা ফেলছে তাদের ইবাদতগাহে,আবার কখনো তাদের বাস ঘরে। কখনো গুলি করে মারছে তাদের নেতাদের,আবার কখনো মারছে তাদের বাচ্চাদের। কখনো আবার তাদের ঘরের মেয়েদের তুলে নিয়ে এসে তাদের কে ধর্ষণ করছে।আবার কখনো তাদের গর্ভবতী মায়েদের পেটচিরে বাচ্চা বারকরে ত্রিশূলের আগায় নাঁচাচ্ছে। কখনো কখনো তাদের ওপরে বিভিন্ন মিথ্যা অপবাদ দিয়ে যাবত্ জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হচ্ছে। কখনো আবার তাদেরকে ফাঁসি দিয়ে মেরে ফেলা হচ্ছে। এই হচ্ছে বর্তমান বিশ্বের মানব দরদীদের মানবতা। কিন্তু একেই কি বলে মানবতা? না একটা জাতিকে ধ্বংস করে দেওয়া কেই বলে মানবতা? কই মুসলিমরা এমন ভাবে কোনো জাতির ওপরে তো অত্যাচার চালায় না। কাউকেই তো এরা বিনা দোষে দোষী সাব্যস্ত করে না। এরা তো এক সাথেই থাকতে চাই, এক পথে চলতে চাই,ও একসাথেই খেলতে চাই, এবং সবাই একে ওপরের বন্ধু হতে চাই। আর এটাই কী এদের অপরাধ? যখন হিটলার ইহুদিদের উপরে নির্মমভাবে অত্যাচার চালাচ্ছে। তখনো তো ওই মানব দরদী সংস্থা গুলি মানবতা দেখায় নি। সেই মানবতা এবং উদারতা দেখিয়ে ছিল কারা জানো? যাদের কে আজ তোমরা নিঃস্ব করে দিতে চাইছো, তারাই সেদিন তোমাদের পাশে ছিল এবং তোমাদের মাথা গোঁজার ব্যবস্থা করে দিয়ে ছিল। নুন খেয়ে নুন হারামি তাই না? তোমারই আবার মানবতা শেখাও! তোমরা মানবতার নাম করে একটা মানব জাতিকে পাঁঠার বলিতে বলি দিতে উঠে পড়ে লেগেছো তাই না! তোমাদের এটা মানবতা নয় বরং মেরে পোতা হচ্ছে এই নিরীহ মানুষদের কে। তবে মনে রেখে দিয়েও মুসলিম জাতি ভীতু নয়। এরা সত্যকে উদঘাটন করবেই। সেদিন ইঁদুরদের গর্তে পালাতে হবেই। বিশ্বাসীদের বুঝতে আর বাকি নেই কারা আজ সমাজকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। কারা মানবতা কে হত্যা করছে। কারা দেশকে শ্মশান এবং কয়লার কারখানায় পরিণত করতে চাচ্ছে। এই মানব জাতি সজাগ হবেই হবে। জানি বিপদের আশঙ্কা হলে বিড়াল গাছে ওঠে,শিয়াল গর্তে ঢোকে,আবার শিয়াল বিড়াল ইঁদুরের রাজত্ব চলে  এই দুনিয়ায়। প্রকৃত মুসলিমরা রাজত্ব চায়না বরং এরা 'দ্বীন"প্রতিষ্ঠা করতে চাই। ন্যায় নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রক্তের প্রয়োজন হলে পিছপা হয় নাই। এরা শান্তিপূর্ণ রাজ্য রাষ্ট্র দেশ চাই।ভোগবাদীদের পতন চাই। শান্ত পরিবেশে স্বাধীন পতাকা ওড়াতে চাই। ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে খোলা আকাশের নিচে একসাথেই থাকতে চাই। জাতপাত দূর করে এঁকে ওপরের ভাই হয়ে সেই স্রষ্টার কাছে ফিরে যেতে চাই।।

শনিবার, ২২ এপ্রিল, ২০১৭

কবিতা :- মুজাহিদ

                   মুজাহিদ
         মোঃ তরিকুল ইসলাম

সত্যের পথে যদি দাও তুমি জান
লখ্য গুনে বাড়বেই সম্মান ।
মুজাহিদ-মুজাহিদ
বুকে তুলে নাও পাক-কুর'আন ।
মিশর-ভারত ও বাংলার
মা-বোনেদের
যারা করছে ইজ্জোত হরণ ।
তাদের কে করবো নাস্তানাবুদ
থাকতে মোদের জান ।
মুজাহিদ-মুজাহিদ
দাও গাও এই স্লোগান ।
হারাম হালাল চেনো আগে
মন্দ কথা বলো না রাগে ।
সার্থক হবেই তবে জীবন
আসে আসুক মরণ ।
মুজাহিদ-মুজাহিদ
তুমি সেই আল্লাহর দান ।
           সমাপ্ত

কবিতা:- কাফের হয়ে মরব না

     কাফের হয়ে মরব না
   তরিকুল ইসলাম খালাসী 

ঈমান যখন এনেছি ভাই
কফের হয়ে মরব না ।
বাতিলেরি পতাকা মোরা
কখন ভাই ধরবো না ।
সামনে চেয়ে এগিয়ে যাবো
ভয় করব না কাফেরদের ।
শক্তি যদি কম হয়ে যাই
চালিয়ে নেবেন আল্লাহ মোদের ।
উপোস করে থাকবো তবু
কাফেরদের কাছে চাইব না ।
খোদার পাঁচিল ডিঙ্গিয়ে মোরা
ঝাপ দিয়ে ভাই পড়বো না ।
বিঁধেছে কাঁটা ফুটেছে কাঁকর
ধৈর্য মোরা ধরবো হে ।
এর প্রতিফল চাইব মোরা
খোদার কাছে পাইব রে ।
ঈমান যেন যাই না চলে
খোদা রহম কর মোরে ।
কবুল তুমি করিলে খোদা
মোর মনের বাসনা মিটবে রে ।।
             সমাপ্ত 

Featured Post

প্রতিবাদের আগুন

প্রতিবাদের আগুন  তরিকুল ইসলাম খালাসী  মধ্যবেনা, বাদুড়িয়া, উত্তর ২৪ পরগনা (কলকাতা) কলমের কালিতে লেখা প্রতিবাদ মুছে যাবে না, মুছে যাবে না, অ...