তরিকুল ইসলাম খালাসী
মধ্যবেনা, বাদুড়িয়া (উত্তর ২৪ পরগনা)
সবর করা বড় গুণ
থাকে যার মনে,
তার চোখেই শান্তি ধারা
নামে প্রতিক্ষণে।
রাগে মন ফোঁসে যদি
থাকো চুপ করে,
জয়ী হয় সেই মানুষ
যে রবের ভরসা করে।
গালি যদি কেউ দেয়
বলো না কিছু তার,
ক্ষমার চোখে দখলে তুমি
পাবেই সঠিক বিচার।
রব নিজেই ন্যায়বিচারক,
তিনিই দেখেন সব,
ফুরিয়ে যাবে অন্যায়ের দিন
দিতেই হবে হিসাব ।।
অর্থ/ব্যাখ্যা:
এই কবিতায় কবি সহনশীলতা ও ধৈর্যের গুরুত্ব বোঝাতে চেয়েছেন। রাগ, গালি বা অন্যায়ের মুখোমুখি হলেও ধৈর্য ধরে আল্লাহর ভরসা করলে সফলতা ও সঠিক বিচার মিলবেই। মূল শিক্ষা হলো—ক্ষমাশীলতা ও সহনশীলতা মানুষের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গুণ।
---
প্রথম স্তবক:
“সবর করা বড় গুণ
থাকে যার মনে,
তার চোখেই শান্তি ধারা
নামে প্রতিক্ষণে।”
👉 ধৈর্য (সবর) মানুষের বড় গুণ। যার মনে ধৈর্য থাকে, তার জীবন শান্তিতে ভরে ওঠে, তার চোখে নেমে আসে প্রশান্তির ধারা।
---
দ্বিতীয় স্তবক:
“রাগে মন ফোঁসে যদি
থাকো চুপ করে,
জয়ী হয় সেই মানুষ
যে রবের ভরসা করে।”
👉 রাগ উঠলেও চুপ থাকা উত্তম। যে মানুষ রাগ সংবরণ করে এবং আল্লাহর ভরসা রাখে, সেই-ই প্রকৃত বিজয়ী হয়।
---
তৃতীয় স্তবক:
“গালি যদি কেউ দেয়
বলো না কিছু তার,
ক্ষমার চোখে দখলে তুমি
পাবেই সঠিক বিচার।”
👉 কেউ গালি দিলে তার জবাবে গালি দেওয়া নয়, বরং চুপ থাকা ও ক্ষমা করাই শ্রেষ্ঠ কাজ। ক্ষমাশীলতার মাধ্যমেই একদিন আল্লাহর কাছ থেকে সঠিক বিচার মিলবে।
---
চতুর্থ স্তবক:
“রব নিজেই ন্যায়বিচারক,
তিনিই দেখেন সব,
ফুরিয়ে যাবে অন্যায়ের দিন
দিতেই হবে হিসাব।। ”
👉 আল্লাহই প্রকৃত ন্যায়বিচারক। তিনি সব দেখেন ও জানেন। অন্যায়কারী যতদিনই অন্যায় করুক, একদিন তার দিন শেষ হবে এবং তাকে হিসাব দিতেই হবে।
---
👉 সারকথা:
এই কবিতার মূল শিক্ষা হলো—রাগ, গালি ও অন্যায়ের মুখেও ধৈর্য ও সহনশীলতা বজায় রাখা উচিত। আল্লাহর উপর ভরসা রাখলে প্রকৃত বিচার ও শান্তি অবশ্যই মিলবে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন