বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০২৫

মেজাজ

মেজাজ 
তরিকুল ইসলাম খালাসী
মধ্যবেনা, বাদুড়িয়া (উত্তর ২৪ পরগনা)

তুমি যদি মেজাজ হারাও
ভাঙবে বোনা স্বপ্ন,
শান্তির বুকে উঠবে আগুন,
হারাবে সকল যত্ন।

জানো! সম্পর্ক হারানো মানে
জমে ভুলের পাহাড়,
জীবন যুদ্ধে যাবে হেরে
হারিয়ে যাবে অধিকার।

তাই রাগের বশে বারেবারে
কথায় করোনা আঘাত,
ভেঙে যাবে বিশ্বাসগুলো,
বেড়েই যাবে সংঘাত।। 

অর্থ/ব্যাখ্যা:

এই কবিতায় কবি মানুষকে বিশেষভাবে রাগ ও মেজাজ নিয়ন্ত্রণ করার শিক্ষা দিয়েছেন। হঠাৎ মেজাজ হারানো শুধু নিজের ক্ষতিই নয়, বরং সম্পর্ক, ভালোবাসা ও শান্তির পরিবেশকে ধ্বংস করে দেয়।

প্রথম স্তবক:
“তুমি যদি মেজাজ হারাও ভাঙবে বোনা স্বপ্ন, শান্তির বুকে উঠবে আগুন, হারাবে সকল যত্ন।”
👉 মেজাজ হারালে মানুষের শান্তি নষ্ট হয়। যেসব স্বপ্ন যত্নে গড়া হয়েছিল, তা ভেঙে যায়। শান্তির পরিবেশে অশান্তি ও আগুন জ্বলে ওঠে।

দ্বিতীয় স্তবক:
“জানো! সম্পর্ক হারানো মানে জমে ভুলের পাহাড়, জীবন যুদ্ধে যাবে হেরে হারিয়ে যাবে অধিকার।”
👉 রাগের কারণে সম্পর্ক নষ্ট হয়ে গেলে জীবনে ভুল জমতে থাকে। তখন মানুষ জীবনের লড়াইয়ে হেরে যায়, নিজের অধিকারও হারাতে থাকে।

তৃতীয় স্তবক:
“তাই রাগের বশে বারেবারে কথায় করোনা আঘাত, ভেঙে যাবে বিশ্বাসগুলো, বেড়েই যাবে সংঘাত।।
👉 রাগের বশে কাউকে কটু কথা বলা বা আঘাত করলে বিশ্বাস ভেঙে যায়। বিশ্বাস ভাঙলে সম্পর্কেও সংঘাত বাড়ে । 
---

👉 সারকথা: কবিতাটি আমাদের সতর্ক করছে—রাগ নিয়ন্ত্রণ না করলে শান্তি নষ্ট হয়, সম্পর্ক ভাঙে, জীবনে হারাতে হয় অনেক কিছু। তাই রাগ নয়, ধৈর্য ও বোঝাপড়াই জীবনের সঠিক পথ।




বুধবার, ২৩ জুলাই, ২০২৫

আমার ভাষা বাংলা

আমার ভাষা বাংলা 
তরিকুল ইসলাম খালাসী 
মধ্যবেনা বাদুড়িয়া (উত্তর ২৪ পরগনা) 

আমার ভাষা বাংলা রে ভাই 
চির সত্যের গান, 
এই ভাষাতেই ফোটে যে ফুল 
ছড়ায় সুপ্ত ঘ্রাণ । 

আমার ভাষায় নেই ভেদাভেদ 
কোনো জাত-পাত, 
তোমার ভাষায় কেন করো ভাই 
মানুষের আঘাত । 
বাংলা ভাষা মায়ের ভাষা..  
বাংলা আমার প্রাণ । 
এই ভাষাতেই ফোটে যে ফুল 
ছড়ায় সুপ্ত ঘ্রাণ । 
আমার ভাষা........ 

দেশ স্বাধীনে বাংলা ভাষী 
দিয়েছে শত প্রাণ, 
সেই বাঙালি আজকে কেন 
হয় গো অপমান । 
হাজারো ভাষার এদেশ আমার.. 
অধিকার সমান । 
এই ভাষাতেই ফোটে যে ফুল 
ছড়ায় সুপ্ত ঘ্রাণ । 
আমার ভাষা........ ।। 






সোমবার, ২১ জুলাই, ২০২৫

বিশ্বস্ত সঙ্গী

বিশ্বস্ত সঙ্গী 
তরিকুল ইসলাম খালাসী 
মধ্যবেনা বাদুড়িয়া (উত্তর ২৪ পরগনা) 

বিশ্বস্ত সঙ্গী যদি পাও,
তাকে সঙ্গী করো,
তোমার হৃদয়ের ভালোবাসা
নির্বিচারে উজাড় করো।

থেকো পাশে সদা তার
হোক না যতই ঝড়,
তোমার বিশ্বাসে রাখো তাকে
ভালোবাসার পাহাড়।

মনের কথা খুলে বলো,
লুকিও না ক্ষোভ,
সঙ্গী হবে আয়না তোমার —
দুঃখ বুঝবে সব।

সময় যদি আনে দুর্দিন,
তবু রবেনা সংশয়,
ভালোবাসার বন্ধন হোক
আমাদের পরিচয়।

অর্থ/ব্যাখ্যা:

এই কবিতায় কবি একজন সত্যিকারের বিশ্বস্ত সঙ্গীর গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। জীবনে এমন সঙ্গী পাওয়া মানে হলো ভালোবাসা, বিশ্বাস ও সহমর্মিতার একটি আশ্রয় পাওয়া।

প্রথম স্তবক:
“বিশ্বস্ত সঙ্গী যদি পাও, তাকে সঙ্গী করো,
তোমার হৃদয়ের ভালোবাসা নির্বিচারে উজাড় করো।”
👉 কবি বলছেন—যদি জীবনে সত্যিকারের একজন বিশ্বস্ত সঙ্গী পাওয়া যায়, তবে তাকে গ্রহণ করো, এবং তাকে ভালোবাসায় ভরিয়ে দাও।

দ্বিতীয় স্তবক:
“থেকো পাশে সদা তার হোক না যতই ঝড়,
তোমার বিশ্বাসে রাখো তাকে ভালোবাসার পাহাড়।”
👉 ভালো সঙ্গীকে কখনো ঝড়-ঝাপটা বা কষ্টের সময়ে একা ফেলে দিও না। বিশ্বাস ও ভালোবাসা দিয়ে সম্পর্ককে পাহাড়সম দৃঢ় করো।

তৃতীয় স্তবক:
“মনের কথা খুলে বলো, লুকিও না ক্ষোভ,
সঙ্গী হবে আয়না তোমার — দুঃখ বুঝবে সব।”
👉 সঙ্গীর কাছে মনের কথা প্রকাশ করতে হবে। দুঃখ-ক্ষোভ লুকিয়ে রাখা নয়। সঙ্গী যেন আয়নার মতো হয়—যে সব দুঃখ বোঝে ও উপলব্ধি করে।

চতুর্থ স্তবক:
“সময় যদি আনে দুর্দিন, তবু রবেনা সংশয়,
ভালোবাসার বন্ধন হোক আমাদের পরিচয়।”
👉 জীবনে দুর্দিন এলে, বিশ্বস্ত সঙ্গীর সাথে কোনো সংশয় থাকা উচিত নয়। কারণ প্রকৃত সম্পর্কের আসল পরিচয় হলো ভালোবাসার দৃঢ় বন্ধন।

---

👉 সারকথা:
কবিতাটি শেখাচ্ছে—জীবনের সেরা সম্পদ হলো বিশ্বস্ত সঙ্গী। তাকে বিশ্বাস, ভালোবাসা ও খোলামেলা মনোভাবের মাধ্যমে ধরে রাখতে হবে। দুর্দিন-সুদিনে পাশে থাকলেই সত্যিকারের সঙ্গীর পরিচয় মেলে।

আদর্শ নেতা

আদর্শ নেতা
তরিকুল ইসলাম খালাসী 
মধ্যবেনা, বাদুড়িয়া (উত্তর ২৪ পরগনা) 

নেতা সে — যে করে কাজ,
করে না অহংকার,
সত্য পথে চলে সদা,
ভয় পায় না ঝঞ্ঝার।

নেতা সে — যে চায় ভালো,
জনতারই মঙ্গল,
নিজের চেয়ে বেশি ভাবে,
দেশকে করতে উজ্জ্বল।

নেতা সে — যে নত নয়
কারো হুমকিতে কখনো,
ন্যায়ের উপর থাকে অবিরাম,
যে বিধান রবের দেখানো।

নেতা সে — যে শেখায় সাহসীকতা,
থাকে সামনের সারিতে,
সে নিজেই গড়ে উদাহরণ
বাতিলকে রুখে দিতে।

নেতা সে — যার চাহনিতে আছে
দীপ্ত স্বপ্নে ভরা,
আদর্শে গড়তে সদা প্রস্তুত
এই সুন্দর বসুন্ধরা।। 


অর্থ/ব্যাখ্যা:

এই কবিতায় কবি একজন সত্যিকারের আদর্শ নেতার গুণাবলি ফুটিয়ে তুলেছেন। নেতার প্রকৃত দায়িত্ব কী হওয়া উচিত, তা পাঠকের সামনে তুলে ধরেছেন।

প্রথম স্তবক:
“নেতা সে — যে করে কাজ, করে না অহংকার,
সত্য পথে চলে সদা, ভয় পায় না ঝঞ্ঝার।”
👉 সত্যিকারের নেতা কাজে বিশ্বাসী, অহংকার করে না। তিনি সবসময় সত্যের পথে চলেন, এবং ঝড়-ঝাপটার ভয় করেন না।

দ্বিতীয় স্তবক:
“নেতা সে — যে চায় ভালো, জনতারই মঙ্গল,
নিজের চেয়ে বেশি ভাবে, দেশকে করতে উজ্জ্বল।”
👉 নেতা কেবল নিজের লাভের কথা ভাবেন না। তিনি জনগণের মঙ্গল চান এবং দেশকে উন্নত করতে নিজেকে উৎসর্গ করেন।

তৃতীয় স্তবক:
“নেতা সে — যে নত নয় কারো হুমকিতে কখনো,
ন্যায়ের উপর থাকে অবিরাম, যে বিধান রবের দেখানো।”
👉 নেতা কখনো অন্যায় বা হুমকির কাছে নত হয় না। তিনি আল্লাহর দেখানো ন্যায়নীতির পথেই অবিচল থাকেন।

চতুর্থ স্তবক:
“নেতা সে — যে শেখায় সাহসীকতা, থাকে সামনের সারিতে,
সে নিজেই গড়ে উদাহরণ বাতিলকে রুখে দিতে।”
👉 নেতা জনগণকে সাহস জোগান, তিনি নিজে সামনে দাঁড়ান। তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন এবং মিথ্যা বা অন্যায়কে রুখে দেন।

পঞ্চম স্তবক:
“নেতা সে — যার চাহনিতে আছে দীপ্ত স্বপ্নে ভরা,
আদর্শে গড়তে সদা প্রস্তুত এই সুন্দর বসুন্ধরা।।
👉 আদর্শ নেতা দূরদর্শী। তাঁর চোখে উজ্জ্বল স্বপ্ন থাকে। তিনি সর্বদা প্রস্তুত থাকেন পৃথিবীকে আদর্শে সাজাতে।

---

👉 সারকথা:
কবিতায় বোঝানো হয়েছে—আদর্শ নেতা কেবল ক্ষমতালোভী বা অহংকারী নন। তিনি সত্য, ন্যায়, সাহস, আত্মত্যাগ ও মানবতার প্রতীক। তাঁর লক্ষ্য হলো জনগণ ও দেশের কল্যাণ, এবং পৃথিবীকে আদর্শের আলোয় আলোকিত করা।


#আদর্শনেতা #নেতৃত্ব #বাংলাকবিতা #নেতারগুণাবলী #ইসলামিককবিতা #সামাজিকচেতনা  
#TarikulKhalashi #BanglaPoem #Leadership #IdealLeader #IslamicPoetry #Inspirational  
#নেতা_সে #সচেতনতা #জনসেবক #সত্যেরপথে #ভয়হীন #বাংলাসাহিত্য  
#MuslimPoet #SocialPoetry #PoetFromBengal #VoiceOfTruth #Abritti #Kobita 
#আদর্শনেতা #নেতৃত্ব #বাংলাকবিতা #নেতারগুণাবলী #সত্যেরপথে  
#TarikulKhalasi #Leadership #BanglaPoetry #IdealLeader  
#ইসলামিককবিতা #সামাজিকচেতনা #VoiceOfTruth #Abritti



রবিবার, ২০ জুলাই, ২০২৫

এসো আবার

এসো আবার 
তরিকুল ইসলাম খালাসী 
মধ্যবেনা বাদুড়িয়া (উত্তর ২৪ পরগনা)

এসো আবার স্বপ্নগুলো
করি বাস্তবায়ন,
নিঃস্বার্থে কাজগুলোকেই
করি মূল্যায়ন।

এসো আবার আগের মতো
হই ঐক্যবদ্ধ,
ভুলে যাই ক্ষুদ্র হিংসা,
বন্ধ হোক যুদ্ধ।

এসো আবার সাহস বুকে
দুর্নীতিকে দিই রুখে,
নব প্রভাত আসবে তবে
থাকবে সবাই সুখে।

এসো আবার ভালোবাসি
পথের ধারের মানুষগুলো,
ধূলি- ধূসর মুখগুলি চায়
একটু আশার আলো। 

এসো আবার গড়ে তুলি
আলো মাখা দিন,
মানবতার ছায়াতলে
থাকুক সত্য দ্বীন।।

অর্থ/ব্যাখ্যা:

এই কবিতায় কবি সমাজকে নতুন করে জাগানোর ডাক দিয়েছেন। তিনি চান—মানুষ আবার ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিঃস্বার্থ কাজ, ভালোবাসা, ন্যায় ও মানবতার ভিত্তিতে একটি সুন্দর পৃথিবী গড়ে তুলুক।

প্রথম স্তবক:
“এসো আবার স্বপ্নগুলো করি বাস্তবায়ন, নিঃস্বার্থে কাজগুলোকেই করি মূল্যায়ন।”
👉 স্বপ্ন শুধু কল্পনায় নয়, বাস্তব জীবনে রূপ দিতে হবে। যে কাজ নিঃস্বার্থভাবে হয়, তারই মূল্য আছে। তাই নিঃস্বার্থ কাজকেই গুরুত্ব দিতে হবে।

দ্বিতীয় স্তবক:
“এসো আবার আগের মতো হই ঐক্যবদ্ধ, ভুলে যাই ক্ষুদ্র হিংসা, বন্ধ হোক যুদ্ধ।”
👉 মানুষকে একত্রিত হতে হবে। ছোটখাটো হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে গিয়ে শান্তি ও ভ্রাতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে। যুদ্ধ নয়, ঐক্যই মানবতার পথ।

তৃতীয় স্তবক:
“এসো আবার সাহস বুকে দুর্নীতিকে দিই রুখে, নব প্রভাত আসবে তবে থাকবে সবাই সুখে।”
👉 দুর্নীতি সমাজকে গ্রাস করছে। সাহস নিয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে। তবেই নতুন প্রভাত আসবে, আর সমাজ সুখী হবে।

চতুর্থ স্তবক:
“এসো আবার ভালোবাসি পথের ধারের মানুষগুলো, ধূলি-ধূসর মুখগুলি চায় একটু আশার আলো।”
👉 সমাজে যারা অবহেলিত, পথের ধারে পড়ে থাকা দুঃখী মানুষ, তাদের প্রতি ভালোবাসা দেখাতে হবে। তারা আশার আলো চায়, সেই আলো দিতে হবে।

পঞ্চম স্তবক:
“এসো আবার গড়ে তুলি আলো মাখা দিন, মানবতার ছায়াতলে থাকুক সত্য দ্বীন।।
👉 কবির চূড়ান্ত আহ্বান—আবার সবাই মিলে সত্য ও মানবতার পথে এগিয়ে আসি। একটি আলো ভরা দিন গড়ে তুলি, যেখানে সত্য, শান্তি ও দ্বীন (ধর্ম) একসাথে প্রতিষ্ঠিত হবে।

---

👉 সারকথা: কবিতাটি একটি জাগরণী আহ্বান—ঐক্য, ভালোবাসা, নিঃস্বার্থ কাজ, দুর্নীতি প্রতিরোধ, মানবতা ও সত্যের ছায়াতলে একটি নতুন সমাজ গড়ে তোলার ডাক।

শুক্রবার, ১৮ জুলাই, ২০২৫

বাঁধনের অভাব

 বাঁধনের অভাব
 তরিকুল ইসলাম খালাসী
মধ্যবেনা, বাদুড়িয়া (উত্তর ২৪ পরগনা)

যে বাঁধন ছিঁড়ে গেলে
হারিয়ে যায় সব,
দিকে দিকে সেই বাঁধনের
আজ খুবই অভাব।

যেখানে ছিল আগে
ভালোবাসার টান,
সেখানে আজ দেখি
স্বার্থপূজার ঘ্রাণ।

ভ্রাতৃত্ব হারিয়ে আজ
হৃদয় হয়েছে শুষ্ক,
জমেছে শত ক্ষোভ —
আর বেড়েছে দুঃখ।

বেড়েছে ঝগড়া–হিংসা,
কমেছে সহানুভূতি,
মানবতার নামে আজ
বিক্রি হয় মিথ্যাবৃতি।

স্বজন চেনে টাকা,
অচেনা চায় দাম,
মমতার সে বাঁধন
ভাঙছে প্রতি কাম।

এসো আবার গড়ি
ভালোবাসার গ্রাম,
যেখানে বাঁধন হবে —
আদর্শ ইসলাম।। 

অর্থ/ব্যাখ্যা:

এই কবিতায় কবি তুলে ধরেছেন মানুষের মধ্যে আজ যে ভালোবাসা, ভ্রাতৃত্ব, সহানুভূতি ও মানবিকতার অভাব, তার চিত্র। একসময় যেখানে সম্পর্কগুলো ছিল ভালোবাসা ও আন্তরিকতার বাঁধনে গাঁথা, সেখানে এখন ভেঙে যাচ্ছে সে বন্ধন।

প্রথম স্তবক:
“যে বাঁধন ছিঁড়ে গেলে হারিয়ে যায় সব,
দিকে দিকে সেই বাঁধনের আজ খুবই অভাব।”
👉 কবি বলছেন, সম্পর্কের যে বন্ধন ছিঁড়ে গেলে সবকিছু ভেঙে পড়ে—আজ সমাজে সেই বন্ধনের ভীষণ অভাব দেখা দিচ্ছে।

দ্বিতীয় স্তবক:
“যেখানে ছিল আগে ভালোবাসার টান,
সেখানে আজ দেখি স্বার্থপূজার ঘ্রাণ।”
👉 আগে সম্পর্ক গড়ে উঠত ভালোবাসা ও টান দিয়ে। এখন সেই জায়গায় এসেছে স্বার্থপরতা ও ভণ্ডামির গন্ধ।

তৃতীয় স্তবক:
“ভ্রাতৃত্ব হারিয়ে আজ হৃদয় হয়েছে শুষ্ক,
জমেছে শত ক্ষোভ — আর বেড়েছে দুঃখ।”
👉 ভ্রাতৃত্বের অনুভূতি হারিয়ে যাচ্ছে। ফলে মানুষ একে অপরের প্রতি ক্ষোভে ভরে যাচ্ছে এবং দুঃখ বেড়ে চলেছে।

চতুর্থ স্তবক:
“বেড়েছে ঝগড়া–হিংসা, কমেছে সহানুভূতি,
মানবতার নামে আজ বিক্রি হয় মিথ্যাবৃতি।”
👉 সমাজে আজ ঝগড়া-হিংসা বেড়েছে, কিন্তু সহানুভূতি কমেছে। মানবতার নামে ভণ্ডামি ও প্রতারণাই চলছে।

পঞ্চম স্তবক:
“স্বজন চেনে টাকা, অচেনা চায় দাম,
মমতার সে বাঁধন ভাঙছে প্রতি কাম।”
👉 আজকের যুগে আত্মীয়স্বজনও টাকা ছাড়া চেনে না। অচেনা মানুষও মূল্য চায়। তাই মমতার বাঁধন ভেঙে যাচ্ছে বারবার।

ষষ্ঠ স্তবক (সমাধান):
“এসো আবার গড়ি ভালোবাসার গ্রাম,
যেখানে বাঁধন হবে — আদর্শ ইসলাম।।
👉 কবি আহ্বান জানাচ্ছেন—আসো, আমরা আবার ভালোবাসা, মমতা, ভ্রাতৃত্ব ও আদর্শ ইসলামের আলোকে একটি নতুন সমাজ গড়ে তুলি।

---

👉 সারকথা:
কবিতাটি বর্তমান সমাজের স্বার্থপরতা, ভ্রাতৃত্বহীনতা, ভণ্ডামি ও মানবিকতার অভাবের বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদ। একইসঙ্গে এটি একটি সমাধানের ডাক—ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও ইসলামের আদর্শে সমাজকে নতুন করে গড়ে তোলার।

বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫

জামাতে ইসলামী হিন্দ

 জামাআতে ইসলামী হিন্দ 
তরিকুল ইসলাম খালাসী 
মধ্যবেনা, বাদুড়িয়া (উত্তর ২৪ পরগনা) 

জামাআতে ইসলামী হিন্দ,
লক্ষ একামাতে দ্বীন,
আল্লাহর হুকুম করতে কায়েম —
গড়তে চাই জমিন।

চাই এ জামাআত দাওয়াত দিতে
প্রতিটি ঘরে ঘরে,
ইসলামের আলো জ্বলে উঠুক
সব মানব-অন্তরে।
সেই আশাতেই চলছে পথে...
গড়তে একামাতে দ্বীন।
জামাআতে ইসলামী......

নবীর দেখানো পথে হেঁটে
জাগাতে চাই সমাজ,
একতা, তাকওয়ার গুণাবলী
মানতে তোলে আওয়াজ।
আদর্শ হবে শুধুই ইসলাম...
আহ্বান করে প্রতিদিন।
জামাআতে ইসলামী......।।


Featured Post

এই ভারতে মুসলিমদের অবদান

এই ভারতে মুসলিমদের অবদান  তরিকুল ইসলাম খালাসী  মধ্যবেনা বাদুড়িয়া (উত্তর ২৪ পরগনা)  মাথা তুলে বলি আজ ইতিহাসের গান,  এই ভারতে আছে দেখো  মুসল...